সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল ঘোষণা যে কোন সময়: মুখ্য সচিব

সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল ঘোষণা যে কোন সময়: মুখ্য সচিব
ছবি ‌‌-সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬ এ ৩:০৪ PM

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল প্রণয়নের কাজ এখন চূড়ান্ত ধাপে রয়েছে এবং যেকোনো সময় এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। রোববার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বেতন কাঠামো হালনাগাদ করার বিষয়ে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এটি বাস্তবায়নে কাজ চলছে। বাজার পরিস্থিতি ও উৎপাদন শৃঙ্খলের সাম্প্রতিক অস্থিতিশীলতা নিয়ে তিনি জানান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে উৎপাদনে যে সাময়িক ব্যাঘাত ঘটেছে, তা দ্রুতই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে, গত ২৯ জুলাই অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, নবম বেতন কমিশনের কাজ শেষ হলে তা মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে এবং অনুমোদন পেলেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। উল্লেখ্য, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে প্রধান করে গঠিত ১০ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি এ সংক্রান্ত সুপারিশ প্রণয়নের কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে।

স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এ পর্যন্ত আটবার নতুন পে-স্কেল জারি করা হয়। এর মধ্যে সর্বশেষ বেতন স্কেলটি দেওয়া হয়েছিল ২০১৫ সালে।

শেয়ার করুন:

১৬ আগস্ট শুরু ফ্যামিলি কার্ড প্রদান: ৪ বছরে আওতায় আসছে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার

১৬ আগস্ট শুরু ফ্যামিলি কার্ড প্রদান: ৪ বছরে আওতায় আসছে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার
ছবি ‌‌-সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬ এ ৩:৫৭ PM

কিশোরগঞ্জের লতিফাবাদ ইউনিয়ন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত 'ফ্যামিলি কার্ড' কর্মসূচি। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এক বৈঠক শেষে সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি জানান, আগামী ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। পরীক্ষামূলক ধাপ শেষে আগামী অক্টোবরের মধ্যে সারা দেশের সকল উপজেলা ও ইউনিয়নে এটি ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নিয়মিত তথ্য হালনাগাদের মাধ্যমে প্রকৃত দরিদ্রদের কাছে সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করা হবে এবং আগামী চার বছরে মোট ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী চার বছরে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার লক্ষ্য রাখা হলেও প্রয়োজন অনুযায়ী এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে। এটি পরিচালিত হবে একটি ‘ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’ ব্যবস্থার মাধ্যমে, যেখানে মানুষের আয় ও জীবনের মান পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তথ্য আপডেট হতে থাকবে। ফলে দরিদ্র থেকে কেউ মধ্যবিত্ত হলে বা নতুন করে কেউ কষ্টে পড়লে তা তালিকায় উঠে আসবে। একইসঙ্গে যোগ্য ব্যক্তিরা যেন কার্ড পান এবং অযোগ্যরা বাদ পড়েন, সে জন্য ইউনিয়ন স্তরেই তথ্য যাচাই করা হবে। মূলত ভাতা ও সাহায্য বিতরণে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই সরকারের এই উদ্যোগ।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, এ কর্মসূচিতে ধর্ম, গোত্র বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে বিশেষ সুযোগ দেওয়া বা বঞ্চিত করার অবকাশ থাকবে না। এটি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ার অংশ।

এ ছাড়া, সহায়তার অর্থ পরিবারের নারী সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এতে শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টির পাশাপাশি হাঁস-মুরগি পালন, সেলাই ও কুটির শিল্পের মতো ক্ষুদ্র উদ্যোগ বাড়বে, যা গ্রামীণ দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নে বড় ভূমিকা রাখবে।

কর্মসূচির নীতিমালার সব তথ্য অনলাইনে উন্মুক্ত থাকবে। কার্যক্রমটি কতটা কার্যকর হচ্ছে তা মূল্যায়নে অর্থ বিভাগ, আইএমইডি এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে স্বাধীন গবেষণা পরিচালনা করা হবে। একইসঙ্গে গণমাধ্যমে কোনো অনিয়ম বা ত্রুটির খবর এলে সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেবে বলে আশ্বাস দেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী।

শেয়ার করুন:

রাজনৈতিক বিবেচনা নয়, সেনাবাহিনীতে পদোন্নতিতে মেধার গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজনৈতিক বিবেচনা নয়, সেনাবাহিনীতে পদোন্নতিতে মেধার গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ছবি ‌‌-সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬ এ ৩:৩৪ PM

সেনাবাহিনীতে পদোন্নতিতে রাজনৈতিক নয়, মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা সেনানিবাসে ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সেনাবাহিনীতে পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ গ্রহণযোগ্য নয়। একটি আধুনিক ও পেশাদার বাহিনী গঠনে মেধা, সততা, শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণাবলী এবং পেশাগত যোগ্যতাই পদোন্নতির একমাত্র মানদণ্ড হওয়া উচিত।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর পুনর্গঠনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। পাশাপাশি তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ, পার্বত্য অঞ্চলে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী সেনা সদস্য এবং সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর প্রশংসনীয় ভূমিকার জন্য সেনাপ্রধানসহ বাহিনীর সকলকে ধন্যবাদ দেন তিনি।

এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদরে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)। সেনাপ্রধান তাঁর উপস্থিতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী ফটোসেশনে অংশ নেন এবং সেনাসদরের পরিদর্শক বইয়ে তাঁর মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।

শেয়ার করুন:
সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেল ঘোষণা যে কোন সময়: মুখ্য সচিব