Bartalive24
সর্বশেষবাংলাদেশরাজনীতিঅর্থনীতিবিশ্বখেলাপ্রযুক্তিবিনোদনস্বাস্থ্যলাইফস্টাইলচাকরিমতামত

সয়াবিন তেলের দাম আবারও বৃদ্ধি, লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর ১৯৯ টাকা

সয়াবিন তেলের দাম আবারও বৃদ্ধি, লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর ১৯৯ টাকা
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদকবুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ এ ২:০১ PM

দেশের বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। প্রতি লিটারে ৪ টাকা বৃদ্ধি করে নতুন খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯৯ টাকা, যা আগে ছিল ১৯৫ টাকা।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ৫ লিটারের একটি বোতলের দাম ৯৫৫ টাকা থেকে বেড়ে ৯৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ১৮৯ টাকা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) ভোজ্য তেলের মূল্য পর্যালোচনা সভা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির এই সংশোধিত দাম ঘোষণা করেন। তিনি জানান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম ওঠানামা, আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ৭ ডিসেম্বর বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ১৯৫ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে উভয় ক্ষেত্রেই দাম বেড়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের এমন ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এতে বেশি প্রভাবিত হচ্ছে।

শেয়ার করুন:

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু, উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং শুরু, উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র (ছবি: সংগৃহীত)
নিজস্ব প্রতিবেদকমঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ এ ১:৩৭ PM

বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরে রিঅ্যাক্টরে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম, জ্বালানি খাতের প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এটি প্রকল্পটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল ধাপ, যা সফলভাবে সম্পন্ন হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথ আরও পরিষ্কার হবে।

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় নির্মাণাধীন এই প্রকল্পটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তায় নির্মিত এই কেন্দ্রের প্রতিটি ইউনিট থেকে প্রায় ১২০০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

জ্বালানি লোডিং প্রক্রিয়ায় রিঅ্যাক্টরের ভেতরে বিশেষভাবে প্রস্তুত পারমাণবিক জ্বালানি (ফুয়েল অ্যাসেম্বলি) স্থাপন করা হয়। এই ধাপে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার নির্দেশনা ও তদারকি অনুসরণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা, বিকিরণ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রযুক্তিগত নির্ভুলতা নিশ্চিত করেই ধাপে ধাপে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকদের মতে, এই ধাপ শেষ হওয়ার পর রিঅ্যাক্টরের ‘কোল্ড টেস্ট’, ‘হট টেস্ট’ এবং ধাপে ধাপে শক্তি বৃদ্ধি পরীক্ষার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে এগোবে কেন্দ্রটি। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চললে প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শিগগিরই শুরু হতে পারে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে জাতীয় গ্রিডে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ যুক্ত হবে, যা দেশের শিল্প, উৎপাদন এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একই সঙ্গে এটি জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে সহায়ক হবে।

তবে পারমাণবিক প্রকল্প হওয়ায় নিরাপত্তা ও পরিবেশগত বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী একাধিক স্তরের সুরক্ষা ব্যবস্থা, জরুরি প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা এবং প্রশিক্ষিত জনবল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রূপপুর প্রকল্প শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রেই নয়, বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের ক্ষেত্রেও একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে।

শেয়ার করুন:

মেয়েদের ডিগ্রী ও স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষা ফ্রি ঘোষনা করলেন প্রধানমন্ত্রী

মেয়েদের ডিগ্রী ও স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষা ফ্রি ঘোষনা করলেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬ এ ৩:৫৬ PM

দেশের নারী শিক্ষার প্রসারে এবং উচ্চশিক্ষার হার বৃদ্ধিতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী। আজ সোমবার সকালে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী স্নাতক ও ডিগ্রী পর্যায়ে অধ্যয়নরত সকল ছাত্রীর শিক্ষা অবৈতনিক বা ফ্রি করার ঘোষণা দেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ে পড়ুয়া ছাত্রীরা এখন থেকে টিউশন ফি ছাড়াই পড়াশোনা করার সুযোগ পাবেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ১৯৯১-৯৬ মেয়াদে বেগম খালেদা জিয়া মেয়েদের শিক্ষাকে মেট্রিক (এসএসসি) পর্যন্ত এবং ২০০১-২০০৬ মেয়াদে ইন্টারমিডিয়েট (এইচএসসি) পর্যন্ত ফ্রি করেছিলেন। বর্তমান সরকারের এই পদক্ষেপ সেই অসমাপ্ত কাজ পূরণের একটি ধারাবাহিক প্রয়াস। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকার চায় নারীরা যেন উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ পায়। আর্থিক প্রতিবন্ধকতা যেন তাদের শিক্ষার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সে লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারেক রহমান বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে যশোরের জনসভায় বলেছিলাম, ইনশাআল্লাহ জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার পরিচালনার সুযোগ পেলে আমরা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। সরকার পরিচালনার সুযোগ পেয়ে বিএনপি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ শুরু করেছে। বিএনপি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার দল। আমরা যা বলি তাই করি। আমরা কথা মালার রাজনীতি করি না।

শেয়ার করুন:

আরও পড়ুন

মন্তব্য (0)

সয়াবিন তেলের দাম আবারও বৃদ্ধি, লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর ১৯৯ টাকা