"সকলের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ই-হেলথ কার্ড চালু করা হবে।"

"সকলের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ই-হেলথ কার্ড চালু করা হবে।"
ছবি ‌‌-সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬ এ ৩:৩২ PM

সরকারের ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ই-হেলথ কার্ড চালুর ঘোষণা দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। তিনি জানান, স্বাস্থ্য খাতের সরকারি দর্শন অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নবনিযুক্ত সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। গত বৃহস্পতিবার হাসপাতালটি প্রথমবারের মতো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, জেলা, উপজেলা এবং মেডিকেল কলেজগুলোতে চিকিৎসার মানোন্নয়ন ও জনবল বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি শক্তিশালী স্বাস্থ্য কাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। হাসপাতালের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমানে সীমিত অবকাঠামো ও জনবল সংকটের মধ্যেই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সেবা দিচ্ছে এই হাসপাতালটি। ২৫০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৮০০ থেকে ৯০০ রোগী ভর্তি থাকেন, যার ফলে করিডোর এমনকি মেঝেতেও রোগীদের অবস্থান করতে হয়। এই ভোগান্তি লাঘবে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ৫০০ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন খালেদুর রহমান মিয়া, পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ এবং হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক দিলরুবা ইয়াসমিন রুপাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন:

জুলাইয়ের অনুষ্ঠান থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বেরিয়ে গেলেন এনসিপি নেতৃত্ব

জুলাইয়ের অনুষ্ঠান থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বেরিয়ে গেলেন এনসিপি নেতৃত্ব
ছবি ‌‌-সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬ এ ৩:৪৬ PM

জুলাই কেন্দ্রিক এক বিশেষ স্মরণসভায় তথ্যচিত্র প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হলো। বাকবিতণ্ডা ও চরম বিশৃঙ্খলার মুখে ক্ষোভ প্রকাশ করে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ নেতারা।

ঘটনার সূত্রপাত আয়োজিত অনুষ্ঠানের একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে। উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রদর্শিত তথ্যচিত্রটির কিছু অংশ এবং উপস্থাপনা নিয়ে আপত্তি জানান এনসিপি নেতৃত্ব। তাঁদের অভিযোগ, তথ্যচিত্রে সংবেদনশীল বিষয় ও ইতিহাসকে একপেশে ও ভুলভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

তথ্যচিত্র চলাকালেই এনসিপি নেতাদের আপত্তির মুখে আয়োজকদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে সেই তর্ক বাকবিতণ্ডায় রূপ নেয় এবং উপস্থিত অন্যান্য শ্রোতা ও অংশগ্রহণকারীদের একাংশের হট্টগোলে অনুষ্ঠানস্থলের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হলেও দু'পক্ষের তর্কের তীব্রতা বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে এনসিপি-র শীর্ষ নেতারা দলবদ্ধভাবে অনুষ্ঠান বয়কট করে বেরিয়ে যান।

ঘটনার বিষয়ে এনসিপি-র এক শীর্ষ নেতা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, "জুলাইয়ের ইতিহাস ও স্মৃতি নিয়ে কোনো প্রকার ভুল ব্যাখ্যা বা নিরপেক্ষতাহীন উপস্থাপনা মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। আয়োজকদের এ বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল।"

অন্যদিকে, আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাউকে আঘাত করার জন্য এই তথ্যচিত্র তৈরি করা হয়নি। সম্পূর্ণ ঘটনাটি অপ্রত্যাশিত এবং ভুল বোঝাবুঝির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক চর্চা ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

শেয়ার করুন:

রাজনৈতিক বিবেচনা নয়, সেনাবাহিনীতে পদোন্নতিতে মেধার গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজনৈতিক বিবেচনা নয়, সেনাবাহিনীতে পদোন্নতিতে মেধার গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ছবি ‌‌-সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬ এ ৩:৩৪ PM

সেনাবাহিনীতে পদোন্নতিতে রাজনৈতিক নয়, মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়নের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা সেনানিবাসে ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সেনাবাহিনীতে পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ গ্রহণযোগ্য নয়। একটি আধুনিক ও পেশাদার বাহিনী গঠনে মেধা, সততা, শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণাবলী এবং পেশাগত যোগ্যতাই পদোন্নতির একমাত্র মানদণ্ড হওয়া উচিত।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর পুনর্গঠনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভূমিকার কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। পাশাপাশি তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ, পার্বত্য অঞ্চলে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী সেনা সদস্য এবং সকল মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর প্রশংসনীয় ভূমিকার জন্য সেনাপ্রধানসহ বাহিনীর সকলকে ধন্যবাদ দেন তিনি।

এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদরে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)। সেনাপ্রধান তাঁর উপস্থিতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী ফটোসেশনে অংশ নেন এবং সেনাসদরের পরিদর্শক বইয়ে তাঁর মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।

শেয়ার করুন: