মালয়েশিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী পেলেন রাজকীয় লাল গালিচা সংবর্ধনা

রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর মালয়েশিয়ায় এটিই তাঁর প্রথম সফর।
আজ রোববার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের বিশেষ ভিভিআইপি ফ্লাইটটি কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের 'বুঙ্গা রায়া কমপ্লেক্স' টার্মিনালে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে পৌঁছালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেখানে মালয়েশিয়া সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় 'গার্ড অব অনার' প্রদর্শন করে। এ সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
এক্সক্লুসিভ ভিভিআইপি টার্মিনালে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিনীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান মালয়েশিয়ার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী জুলকিফলি হাসান এবং তাঁর সহধর্মিনী। এ সময় মাইসা নুর আইশা নামের এক শিশু জুবাইদা রহমানের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়। সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী এবং ডেপুটি হাইকমিশনার মিস সাহানারা মনিকা।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুরু করে তাঁর অবস্থানকালীন হোটেল পর্যন্ত ৫০ মিনিটের পুরো সড়কপথ বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকায় সাজানো হয়। বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রা সহকারে কুয়ালালামপুরের পাঁচতারকা ‘শাংগ্রি লা’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এই সফরকালে প্রধানমন্ত্রী, তাঁর সহধর্মিনী ও সফরসঙ্গীরা এই হোটেলেই অবস্থান করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে তাঁর সাথে সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন এবং প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা একেএম শামসুল ইসলাম প্রমুখ। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদারের লক্ষে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।









